পুস্পিতা বাচতে চায় সকলের ভালোবাসায়

0
61
মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মাত্র দুই বছর বয়সের ফুটফুটে শিশু পুষ্পিতা নাগ। এই সময়ে সে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে হেটে চলে বেড়ানোর কথা। কিন্তু জন্ম থেকেই সে দূরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছে। এ বয়সের অন্য শিশুরা যখন হেসেখেলে বেড়াচ্ছে, পুষ্পিতা নাগ তখন নিরব, নিশ্চুপ বিছানায় কাতরাচ্ছে। তাকে এ বয়সেই লড়তে হচ্ছে অনাকাঙ্খিত মরণ ব্যাধি রোগের সঙ্গে!
জন্ম থেকেই সে হৃদরোগে আক্রান্ত। পুষ্পিতার বাবা প্রদীপ নাগ মৌলভীবাজারের চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের গুজারাই এলাকার বাসিন্দা। পেশায় তিনি হকার (পত্রিকা বিক্রেতা)। পত্রিকা বিলি করে যে আয় হয়, তা দিয়েই কোনোরকমে নিজের সংসার খরচ চালে প্রদীপ নাগের। তার অভাবী সংসারে হৃদরোগ নিয়ে জন্ম হয়েছে ফুটফুটে কন্যা পুষ্পিতার। জন্মের পরেই তার হৃদযন্ত্রে (হার্ট) ছিদ্র ধরা পরে। আর এ থেকে সে ভুগছে নানাবিধ শারীরিক জটিলতায়।
বাবা প্রদীপ নাগের কাছ থেকে জানান যায় পুষ্পিতাকে প্রথমে সিলেট এ.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, তারপর একে একে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সর্বশেষ ফ্রি চিকিৎসার আশায় নিয়ে যান ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেখানকার চিকিৎসক ডা. তাহেরা নাজনীন চৌধুরী বলেন, অতি দ্রুত পুষ্পিতার ওপেন হার্ট সার্জারি করা প্রয়োজন। আর এতে ব্যয় হবে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ৪ সদস্যের পরিবারের আহার যোগাতেই যাকে হিমশিম থেতে হয়, সে কীভাবে মেয়ের চিকিৎসার জন্য ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা খরচ যোগাবে! আদরের মেয়ের জীবন-মরণ লড়াইয়ে মেয়ের জীবন বাচাতে চিন্তার কোন অন্ত নেই তার।
পুস্পিতার জীবনের পরিস্থিতি চিন্তা করে এখন চোখে অন্ধকার দেখছেন প্রদীপ নাগ। ফুটফুটে মেয়েটির মুখে হাঁসি ফেরাতে বাধ্য হয়ে সমাজের বিত্তশালী, হৃদয়বান, মানবিক ও দানশীল মানুষের কাছে সাহায্য চেয়েছেন প্রদীপ নাগ। তিনি এখনো আশা করেন কেউ না কেউ নিশ্চয়ই এগিয়ে আসবেন তার মেয়ের জীবন বাঁচানোর দূত হিসেব। মানুষের ভালোবাসার হাত বাড়ালে অকালে ঝরে পরার হাত থেকে জীবন ফিরে পেতে পারে পুষ্পিতা। পুষ্পিতার জন্য সাহায্য পাঠাতে তার বাবা প্রদীপ নাগের মোবাইল ও ব্যক্তিগত বিকাশ একাউন্ট নম্বর ০১৭১৯৪৪৮৬২৯ দিয়েছেন। অথবা সোনালী ব্যাংক মৌলভীবাজার চাঁদনীঘাট শাখার ৩৪০২০৭২১ এ অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা পাঠাতে পারেন।

LEAVE A REPLY