কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয়ে সাবেক প্রধান শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা নবেন্দু দাস স্মরণে শোক সভা

0
391
কুলাউড়া প্রতিনিধিঃ কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দু দাসের মৃত্যুতে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয়ে এক শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২ জানুয়ারী দুপুরে শোকসভায় নবেন্দু দাসের ছেলে জয়সেন দাস বলেন আমার বাবা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। মানুষের জীবন আলোকিত করতে কাজ করেছেন। বিনিময়ে কিছুই পান নি। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করার সময় বাবা বলেছিলেন আমি সনদের জন্য যুদ্ধ করিনি, দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি। বর্তমানে অনেক রাজাকারের মুক্তিদোদ্ধা সনদ আছে সেই সনদ আমি চাই না।
শোকসভায় নবেন্দু দাসের বিভিন্ন স্মৃতি স্মরণ করে সহকর্মী ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। তারা বলেন নবেন্দু দাস ছিলেন মানবতার মডেল। তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপস করতেন না।
নবেন্দু দাস স্মরণে শোকসভায় বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অজয় দেব এর সঞ্চালনায় ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস শহীদ বাবুল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনের সাবেক সাংসদ এড. নওয়াব আলী আব্বাছ খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য নওয়াব আলী ওয়াজেদ খান, কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ নজিব আলী, কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক, পৃথিমপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নওয়াব আলী বাখর খান, কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদ আহমদ, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খোরশিদ উল্লাহ, কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মালিক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির উপদেষ্টা মোঃ আব্দুল মালিক, হাজিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, প্রয়াত প্রধান শিক্ষক নবেন্দু দাসের ছেলে জয়সেন দাস জয়, কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থী দীলিপ সিংহ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন নূরজাহান মেমোরিয়াল মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক এম এ আজিজ, লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক গোলাপ মিয়া, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য আশিকুর রহমান ফটিক, সাবেক সদস্য আশফাক আহমদ, মোঃ আব্দুর রহিম প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন কর্মধা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলি, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃর্দ।

LEAVE A REPLY