আজ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস : হিমু পরিবহন দিনটিতে জনসচেতনতায় কাজ করে

195
এক ভয়ানক মরণব্যাধী হলো ক্যান্সার নামক রোগ। এই রোগে প্রতি বছরে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। একটা মৃত্যু একটি পরিবারের জন্য কতটা বেদনা দায়ক তা স্বজন হারানো হিমু পরিবহন জানে।
জন নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহম্মদ স্যার এই মরণ ব্যাধিতে জীবন দিয়েছেন। দেশব্যাপী তার ভক্তরা তারই কল্পিত চরিত্র হিমু-রূপা অন্তরে ধারণ করে মানুষদের ক্যান্সার সচেতন করতে হাটে, মাঠে, ঘাটে লিফলেট বিতরণ করে বেড়ায়।
প্রতি বছর এই দিনটিতে দেশব্যাপী সব কয়টি কাউন্টারে জন সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। করোনা-কালিন সময়ের কারণে এবারের দিবসটিতে কিছুটা ছন্দপতন হতে পারে।
ক্যান্সারের কার্য করি কোন প্রতিষেধক না থাকায় প্রাকৃতিক ভাবে একে প্রতিরোধ করার উপায় সমূহ মানুষের মাঝে বিলিয়ে বেড়ায় হিমু-রূপারা।
ক্যান্সার গবেষকদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতি বছর ক্যান্সারে ৯০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। অধিকাংশ মৃত্যুর কারণ হয় আগে থেকে ক্যান্সার সম্পর্কে না জানা। ক্যান্সার চিহ্নিত হওয়ার পর দেখা যায় রোগীর অবস্থা আশংখ্যা জনক। তখন চিকিৎসার মাধ্যমে সেরে উঠার কোন সম্ভাবনা থাকে না।
বিশ্বে নারীদের বেলায় জরায়ু ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার, ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার গুলো লক্ষ করা যায়। যার কারণে নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পরে। মানুষ প্রথমে এ রোগের লক্ষণ সম্পর্কে তেমন কোন ধারণা করতে পারেনা। যার ফলে সুস্থতা অনুভব করেন বলে ডাক্তারের সংস্পর্শে যান না। আর তাতে মৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
বাংলাদেশ ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. বেগম রোকেয়া আনোয়ার বিডিজাগরণ২৪ কে জানান নারী-পুরুষ উভয়ই ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। কিন্তু তুলনা মূলক নারীরা বেশী আক্রান্ত হন। বাংলাদেশের নারীরা জরায়ুমুখের ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার বেশী। যেখানে উন্নত বিশ্বে এটি প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। কারণ ক্যান্সার পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য। আগে থেকে যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশেও কিছু পদ্ধতি রয়েছে। তার মধ্যে ভিআইএ নামে সহজ একটি পরীক্ষা জাতীয়ভাবে পরিচালিত করা হয়।
হিমু পরিবহনের লক্ষ্য বাংলাদেশে বিশ্ব মানের একটি ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা। আর সে লক্ষ্যে হিমু পরিবহন পরিচালিত হচ্ছে। এক সময় তা বাস্তবায়ন হবে এমনটাই প্রত্যাশা হিমু-রূপাদের।